২২শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনলাইন সংস্করণ

ব্যাটিং ব্যর্থতায় অস্ট্রেলিয়ার কাছে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ

রাসেল আহমেদ(স্পোর্টস রিপোর্ট)

মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে চট্টগ্রামে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ। তবে ফরম্যাট পরিবর্তনের সঙ্গে পাল্টে যায় দলের পারফরম্যান্সও। ব্যাটারদের ধারাবাহিক ব্যর্থতায় সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচেও হেরে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ।

রোববার (২১ জুন) চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করেন টাইগার ব্যাটাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা।

দ্বিতীয় ওভারেই দুই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর একে একে সাজঘরে ফেরেন সাইফ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, নুরুল হাসান সোহান ও শামীম পাটোয়ারী। পারভেজ হোসেন ইমন ১৩ বলে মাত্র ১ রান করে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে অন্তত ১০ বল খেলে সর্বনিম্ন স্ট্রাইক রেটের লজ্জার রেকর্ড গড়েন।

দলের বিপর্যয়ের মধ্যে একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করেন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। রিশাদ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন তিনি। রিশাদ ১৪ বলে ১৬ রান করলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। পরে শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলের স্কোর তিন অঙ্কে পৌঁছে দেন হৃদয়।

অপরাজিত ৬১ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে স্পেনসার জনসন ২ উইকেট নেন। এছাড়া নাথান এলিস ও অ্যাডাম জাম্পা দুটি করে এবং নিখিল চৌধুরী একটি উইকেট শিকার করেন।

১১০ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ওভারেই আসে ১৭ রান। ওপেনার মিচেল মার্শ একাই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হন। তিনি ২৮ বলে ৬০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন।

বাংলাদেশের হয়ে শরিফুল ইসলাম, নাসুম আহমেদ ও রিশাদ হোসেন একটি করে উইকেট পেলেও তা পরাজয় ঠেকানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। মাত্র ১১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া।

ফলে ৫৪ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটের বড় জয় তুলে নেয় সফরকারীরা। একই সঙ্গে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশকে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করে অস্ট্রেলিয়া।

জুন ২২, ২০২৬