বিপ্লব কুমার দাস(ফরিদপুর)
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলাসহ পার্শ্ববর্তী ফিলিং স্টেশনগুলোতে জ্বালানি তেলের জন্য এক প্রকার হাহাকার চলছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি। কৃষকরা সেচযন্ত্রের জন্য জ্বালানি পেতে অনেক রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করেও হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এমনকি নারীদেরও লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে ‘তেল নেই’ লেখা সংবলিত সাইনবোর্ড ঝুলছে।
জ্বালানি তেলের (ডিজেল) তীব্র সংকটে বোরো খেত ও ফসলি জমি শুকিয়ে চৌচির হয়ে যাচ্ছে, ফলে কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা তৈরি হয়েছে। পাম্পগুলোতে পর্যাপ্ত তেল না পেয়ে সেচ পাম্প ও কৃষিযন্ত্র বন্ধ থাকায় ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। মাঠের পর মাঠ ফসলি জমি ফেটে চৌচির হয়ে যাওয়ায় বোরো ধান রক্ষায় বড় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, পানির অভাবে পাটের জমিও শুকিয়ে যাওয়ায় পাট চাষে বিরূপ প্রভাব পড়বে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।
এদিকে, ফিলিং স্টেশনগুলোতে চাহিদা অনুযায়ী তেল না পেয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও খালি হাতে ফিরতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ কৃষকরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একশ্রেণির মুনাফাখোর সিন্ডিকেট তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে উচ্চমূল্যে বিক্রি করছে। দ্রুত এই সংকট নিরসন না হলে এলাকার কৃষিখাতে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
